‘চুঁচুড়ার রাজীব’ মানেই ‘সহদেববাবুর ঘোড়া’, ‘ভীষ্মদেবের মৃত্যুমুহূর্ত’, ‘অনেক জলের শব্দ’, ‘টাওয়ার অফ্ সাইলেন্স’, ‘হিবাকুশার ছেলে’ বা ঘোষ স্যারের গল্পগুলি — বহুচর্চিত, ভিন্নমাত্রার কিছু গল্প। জন্ম ১৯৭৭; পড়াশোনা, বেড়ে ওঠা চুঁচুড়া-হুগলি-চন্দননগর। ১৯৯৭ সাল থেকে লিটল ম্যাগাজিন কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত এবং নিয়মিত লেখালেখি। সম্পাদিত পত্রিকা ‘সাইন্যাপস্’।
আছে বেশ কিছু কবিতার বই-
চক্রবাল (১৯৯৯)
৩৫৮, বড়বাজার (২০০৫)
আমি এক নিষ্ঠুর নদীর ঠিক পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছি
(২০০৮)
চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হস্পিটাল (২০১১)
চাঁদ ও কবিতা (২০১২)
বিরাশি মাইল (২০১৫)
অপূর্ব্ব কবিতাগুচ্ছ (২০১৭)
এই কবিতা শেষ হলেই (২০২৪)
প্রকাশিত গল্প সংকলন
ঘর ও দরজার গল্প (২০১৬)
অনেক জলের শব্দ (২০১৮)
যে
সব গল্পের কোনও মানে হয় না (২০২১)
রাজীব মৌসুমীর যুগ্ম গল্প সংকলন
আমাদের আশাতীত খেলাঘর (২০২২)
সিন্দবাদ যে গল্প কখনো কাউকে বলেনি (২০২৫)
গল্পের জন্য বারাসাতের বহুস্বর পত্রিকার পক্ষ
থেকে পেয়েছেন ২০১৯ সালের ‘অনন্তকুমার সরকার
স্মৃতি পুরস্কার’। অণুগল্পের জন্য
২০১৮ সালে চুঁচুড়ার গল্প সল্পের আটচালার পক্ষ থেকে পেয়েছেন ‘উৎপল স্মৃতি পুরস্কার’।
পেশায় বিজ্ঞান শিক্ষক। নেশায় পাঠক। প্রিয় অবকাশ যাপন — পাঁচশো বছরের পুরনো জনপদের অলিগলিতে সময়ের ভাঁজে ভাঁজে ঘুরে বেড়ানো।
.png)


